Home সারাদেশ ‘প্রয়োজনে এক লাখ টাকা নে, তারপরেও ইয়াবার ব্যবসা কর’

‘প্রয়োজনে এক লাখ টাকা নে, তারপরেও ইয়াবার ব্যবসা কর’

by Newsroom
ইয়াবার ব্যবসা

‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা চান আমি মাদকের কারবার করি। তারা বলেন, ‘প্রয়োজনে এক লাখ টাকা নে। তারপরেও ইয়াবার ব্যবসা কর। প্রত্যেক মাসে দুইডা আসামি ধরাইয়া দে।’ ২৪ মে সোমবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী রুনা বেগম জেলা কর্মকর্তাাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরাসহ গ্রামের বেশ কজন নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

রুনা বেগম বলেন, মাদক বিক্রিতে সম্মত না হওয়ায় এতে রাজি না হওয়ায় আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের একের পর এক মাদক মামলায় আসামি করা হচ্ছে।

কলাপাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক ফরহাদ হোসেন, উপপরিদর্শক রুহুল আমিন, উপপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক রুহুল আমিন, জহিরুল ইসলাম, সিপাই সঞ্চয় কুমার সাহা, আবুল হাসানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনে রুনা আরও বলেন, ‘প্রথমে অভাবের তাড়নায় মাদকের ব্যবসা করতে গিয়ে ১০ মাস জেল খেটেছি। পরিবার-সন্তান-স্বামীর কথা চিন্তা করে সব ছেড়ে ভালো হওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ ২২ মে বাসায় ঢুকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কথা বলে স্বামী আমির হোসেনকে ধরে নিয়ে ইয়াবা ও গাঁজার আরও একটি মামলা দেয়। তারা প্রায়ই বাসায় গিয়ে ঘুম থেকে জাগিয়ে সবাইকে মারধর করে।’

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কলাপাড়ার কর্মকর্তাদের কবল থেকে নিজের পরিবারকে রক্ষার দাবি জানিয়ে রুনা বেগম বলেন, ‘কলাপাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এ যাবৎ ‘মিথ্যা’ ছয়টি মামলায় আমাকে আসামি করেছে। বাসায় ঢুকে চুলের মুঠি ধরে মারধর করেছে। টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। আমার নিরপরাধ কিশোর ছেলেকে মারধর করেছে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলাপাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, রুনা বেগমের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ভয়েস টিভি/ডি

You may also like