Home সারাদেশ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে জীব বৈচিত্রে ফিরেছে প্রাণ চাঞ্চলতা

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে জীব বৈচিত্রে ফিরেছে প্রাণ চাঞ্চলতা

by Newsroom

কক্সবাজার প্রতিনিধি: প্রায় আড়াই মাস জনশূন্য থাকায় বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে জীব বৈচিত্রে ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চলতা। সৈকতের বালিয়াড়িতে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি, সাগর পাড়ে সবুজ লতার সমারোহ আর জলরাশিতে জ্বলজ প্রাণী সমারোহ। সব মিলে যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে সৈকতের প্রকৃতি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সৈকতে পর্যটক বিচরণ নিষিদ্ধের পরই সৈকত ও সমুদ্র ফিরতে শুরু করে নিজ রূপ আর বৈচিত্রে। এখন এই প্রাকৃতিক বৈচিত্র রক্ষায় নানা উদ্যোগ নিচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বন্ধে ১৯ মার্চ থেকে বন্ধ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ আশপাশের সব পর্যটন এলাকায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ভ করা হয়। তাই মানুষের পদচারণা ও কোলাহল না থাকায় পাল্টে গেছে সৈকত চেহারা, প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে প্রাণ। সৈকতে লতাপাতা ডালপালা ছড়িয়ে দেয়ায় চারদিকে সবুজের সমাহার। ছুটে বেড়াচ্ছে লাল কাঁকড়া ঝাঁক। ফিরে এসেছে হারিয়ে যাওয়া সমুদ্র কাছিম। সৈকতের আকাশে গাঙ্গচিলের ঝাঁক আর সাগরে নীল জলে খেলা ডলফিনের খেলায় জুড়িয়ে যায় নয়ন। এ যেন এক বিচিত্র নির্মল এক প্রকৃতি।

এই নির্মল প্রকৃতি বাঁচাতে আর জীব বৈচিত্র রক্ষায় সমুদ্র সৈকতের ৫টি এলাকা চিহ্নিত করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এদিকে, প্রাকৃতিক জীব বৈচিত্র রক্ষায় পর্যটকদের জন্য আলাদা জোনের প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা।

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের স্বার্থে সৈকতের একটি বড় এলাকাকে বিশেষ এলাকা হিসেবে ঘোষণার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন। সৈকতকে কোলাহল ও পরিবেশ দুষণমুক্ত করতে পারলে সৈকত ফিরে পাবে নিজ রূপ, বিকশিত হবে পর্যটন শিল্প। এমনই মনে করছে কক্সবাজারবাসী।

রিপোর্ট: জাবেদ ইকবাল চৌধুরী
এডিট: সায়িকা সাম্মা।

You may also like